০৫ জুন ২০২৬ , ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬

রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা তৈরিতে শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

বিশেষ প্রতিনিধি
আপলোড সময় : ১২-০৫-২০২৬
রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা তৈরিতে শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী ফাইল ছবি

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশে স্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিবেশ গড়ে তুলতে শিক্ষার্থীদের সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, উন্নয়নকে টেকসই করতে হলে দেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা জরুরি। এ লক্ষ্যে জনমত গড়ে তোলার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

মঙ্গলবার (১২ মে) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-এর সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ ভবনের অধ্যাপক মুজাফফর আহমদ চৌধুরী অডিটরিয়ামে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ১৫৬ জন শিক্ষার্থী অংশ নেন। এ সময় ১৭ জন শিক্ষার্থী সরকারের বিভিন্ন পরিকল্পনা ও উদ্যোগ সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রশ্ন করেন।

একজন শিক্ষার্থীর প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশে অনেক কিছু গড়ে তুলতে হলে প্রথমেই প্রয়োজন একটি স্থিতিশীল পরিবেশ। তিনি বলেন, “আমরা যদি স্থিতিশীল পরিবেশ নিশ্চিত করতে না পারি, তাহলে কোনো উন্নয়নই টেকসই হবে না। একবার কিছু তৈরি হবে, আবার তা ভেঙে পড়বে। তাই দেশে স্থিতিশীল পরিবেশ বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি।”

তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার পক্ষে জনমত গড়ে তুলতে শিক্ষার্থীদের এগিয়ে আসতে হবে। বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ সব প্ল্যাটফর্মে সচেতনতা তৈরির আহ্বান জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “রাজনীতি সংসদে হওয়া উচিত। শুধু রাজপথে হৈচৈ করে কিছু গড়ে তোলা যায় না। কোনো কিছু গড়ে তুলতে হলে আলোচনা, পরিকল্পনা ও চিন্তা-ভাবনার প্রয়োজন। এই সহযোগিতা শিক্ষার্থীদেরই করতে হবে। কারণ তারাই দেশের ভবিষ্যৎ।”

এ সময় শিক্ষার্থীদের বাংলা ও ইংরেজির পাশাপাশি তৃতীয় একটি ভাষা শেখার পরামর্শ দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, এতে আন্তর্জাতিক কর্মসংস্থানের সুযোগ আরও বাড়বে।

সাংস্কৃতিক পরিবেশ গড়ে তোলার বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সাংস্কৃতিক চর্চা ছাড়া কোনো জাতি এগিয়ে যেতে পারে না। তিনি জানান, সরকার স্কুল পর্যায়ে ৪ থেকে ১২ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদের জন্য তৃতীয় ভাষা শিক্ষার উদ্যোগ নিয়েছে। পাশাপাশি ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ চালু করা হয়েছে এবং সংগীত শিক্ষার ব্যবস্থাও করা হবে।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, এসব উদ্যোগের সুফল ধীরে ধীরে দৃশ্যমান হবে এবং পূর্ণ সুফল পেতে ১০ থেকে ১২ বছর সময় লাগতে পারে।



কমেন্ট বক্স

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ